চলন ও গমনের পার্থক্য চলন (i) চলনে জীব সামগ্রিকভাবে স্থানান্তরিত হয় না। (ii) একটি নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ থেকেও চলন সম্ভব। (iii) এতে জীবদেহের অঙ্গবিশেষের সঞ্চালন ঘটে। গমন ব্যতীত চলন সম্ভব। (v) সমস্ত জীবদেহে চলন পরিলক্ষিত হয়। গ…
দিকনির্ণীত ও ব্যাপ্তি চলন (i) দিক্নির্ণীত চলনঃ উদ্ভিদঅঙ্গের চলন যখন উদ্দীপকের গতিপথ অনুসারে নিয়ন্ত্রিত হয়, তখন তাকে দিক্নির্ণীত চলন বা ট্রপিক চলন বলে। (II) ব্যাপ্তি চলন: উদ্ভিদঅঙ্গের চলন যখন উদ্দীপকের গতিপথ অনুসারে না হয়ে …
হাইড্রোট্রপিক চলন উদ্ভিদঅঙ্গের চলন যখন জলের গতিপথ অনুসারে হয়, তখন তাকে হাইড্রোট্রপিক চলন বা হাইড্রোট্রপিজম বলে। উদ্ভিদের মূলের চলন জলের উৎসের দিকে হয়, তাই মূলকে জল অনুকূলবর্তী এবং বিটপ জলের উৎসের বিপরীত দিকে অগ্রসর হয়, তাই বি…
ট্যাকটিক ও ন্যাস্টিক চলনের পার্থক্য বাইরের উদ্দীপকের প্রভাবে উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ অঙ্গের যে চলন পরিলক্ষিত হয়, তাকে ট্যাকটিক চলন বলে। উদ্ভিদঅঙ্গের চলন যখন উদ্দীপকের গতিপথ অনুসারে না হয়ে উদ্দীপকের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে, তখন তাকে ন…
জিওট্রপিজম : উদ্ভিদঅঙ্গের চলন যখন অভিকর্ষের গতিপথ অনুসারে হয়, তখন তাকে জিওট্রপিজম বা অভিকর্ষবৃত্তিজনিত চলন বলে। উদ্ভিদের মূল অভিকর্ষের দিকে এবং বিটপ অভিকর্ষের বিপরীত দিকে অগ্রসর হয়, তাই মূলকে অভিকর্ষ অনুকূলবর্তী ও বিটপকে অভিকর…
ফোটোট্রপিজম: উদ্ভিদঅঙ্গের চলন যখন আলোর উৎসের গতিপথ অনুযায়ী হয়, তখন তাকে ফোটোট্রপিজম বা আলোকবৃত্তিজনিত চলন বলে। উদ্ভিদের কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা আলোর উৎসের দিকে অগ্রসর হয়, তাই কাণ্ডকে আলোেক অনুকূলবর্তী বলে এবং অন্যদিকে মূল আলোর উৎ…
সামগ্রিক চলন বা গমন: যে প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ বা উদ্ভিদঅঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়, তাকে সামগ্রিক চলন বলে। যেমন—নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদের চলন। সামগ্রিক চলন দু-প্রকার– (a) স্বতঃস্ফূর্ত সামগ্রিক চলন এবং (b) আবিষ্ট স…
বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ উদ্দীপকের প্রভাবে পরিবেশের পরিবর্তনগুলিকে শনাক্ত করে সেই অনুযায়ী সাড়াপ্রদান করে যে-প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, তাকে সংবেদনশীলতা বলে। উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা বা সাড়া প্রদানের ঘটনা প্রথম ভারতীয় বিজ্ঞানী আচার্য জ…
অনুসরণ করুন সোশ্যাল সাইটে