ভারত ছাড় আন্দোলন ব্যর্থ হলেও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সারির নেতারা। বন্দী থাকলেও জনগণ স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে আন্দোলনে অংশ নেয়। সরকারের নির্মম অত্যাচার ও বিভিন্ন দমন মূলক ব্যবস্থা অগ্রাহ্য করে …
ভারত ছাড় আন্দোলনের তীব্রতার সময় জনগন যােগাযােগও প্রশাসন ব্যবস্থা ধ্বংস করে নিজেরাই স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলে জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করে। পরে ব্রিটিশ সরকার দমন নীতির সাহায্য নিলে ও গান্ধিজি সরকারগুলিকে আত্মসর্মপনের নি…
ভারত ছাড় আন্দোলনের তীব্রতার সময় (১৯৪২) বাংলাদেশের তমলুকে, বালুর ঘাটে, আসামের নওগাঁতে, উড়ি্যার তালচের-এ, মহারাষ্ট্রের সাতারায়, যুক্তপ্রদেশের বালিয়া, আজমগড়ে জাতীয় সরকার গড়ে ওঠে।
ভারতে মার্কসীয় পথে আন্দোলন গড়ে তােলা ও সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ প্রচার করা বার্লিন কমিটির উদ্দেশ্য ছিল। এজন্য বিপ্লবীরা ভারতে ফিরে গিয়ে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং দক্ষিণপন্থী জাতীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি বামপন্থীও সমাজতান্ত…
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানিতে উপস্থিত প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবী বীরেন্দ্র নাথ চট্রোপাধ্যায় (সরােজিনী নাইডু'র ভাই) ও ডঃ ভূপেন্দ্র নাথ দত্ত (বিবেকানন্দের ভাই) ও অন্যান্যদের সহযােগিতায় 'বার্লিন কমিটি' গড়ে ওঠে।
১৯২১ খ্রিস্টাব্দে, সােভিয়েত ইউনিয়নে প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবীদের অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে মার্কসবাদী তত্ত্ব শিক্ষা দানের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তােলা হয়। শিক্ষান্তে শ্রমিক কৃষক ও বিভিন্ন পেশা জীবিদের মধ্যে মার্কসীয় তত্ত্বের…
সাম্যবাদী আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী প্রচারের ও সংযােগ রক্ষার সংসথা হল কমিন্টর্নি। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে মস্কোর সােভিয়েত বলশেভিক দলের নেতারা কমিন্টার্ন-এর প্রথম সম্মেলন পরিচালনা করেন। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে মস্কোয় পৃথিবীর বহুদেশের প্রতিনাধ …
১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ই অক্টোবর তাসখন্দে মানবেন্দ্র নাথ রায়, এভলিন ট্রেন্ট রায়, অবনী মুখার্জী, রােজা ফিটিংগফ, মহম্মদ আলী, প্রতিবাদী আচার্য প্রমুখ বিপ্লবীদের চেষ্টায় ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভারতে কমিউনিস্টদের আদর্শ ও সংগঠন প্রসার লাভ করতে থাকে। সেজন্য ব্রিটিশ সরকার কমিউনিস্ট আন্দোলন ও সমাজতান্ত্ৰিক ভাবধারা বিস্তারের পথে বাধা সৃষ্টি, করে। গােপনে ভারতে আসার পথে বহু কমিউনিস্ট বিপ্লবী ব্রিটিশ সরকারের হাতে গ্রেপ্তার হয়…
মার্কসবাদী আদশে দীক্ষিত মানবেন্দ্র নাথ রায় গান্ধিজিকে প্রতিক্রিয়াশীল বলে মনে করতেন। ATT!! প্রতিষ্ঠিত হবার পর চিত্তরঞ্জন শ কৃষক ও শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মানবেন্দ্র নাথ বায় ও মনে করতেন জাতীয় আন্দোলন সল করার জন্য ব…
মহাত্মা গান্ধীর পরিচালিত আন্দোলনের প্রথম দিকে কৃষক-শ্রমিক স্বার্থ রক্ষার জন্য সীমিত প্রস্তাব ছিল। পরে কৃষক শ্রেণির মধ্যে পৃথক শ্রেণি চেতনা গড়ে উঠলে গান্ধিজির প্রভাব তাদের উপর কমতে থাকে। অন্যদিকে কমিউনিস্ট কর্মীরা কৃষক শ্রমিকদের…
জওহরলাল নেহরু লক্ষ্মে অধিবেশনের (১৯৩৬ খ্রিঃ) সভাপতি ছিলেন। ইতিপূর্বে তিনি সমাজতান্ত্রিক ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন এবং লাহাের অধিবেশনে (১৯২৯ খ্রিঃ) পূর্ণ স্বরাজের দাবী জানিয়ে ছিলেন। সােভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক, কারিগরি ও সা…
১৯২২ খ্রিস্টাব্দে চিত্তরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে কংগ্রেসের গয়া অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনে কমিউনিস্ট পার্টি এক প্রস্তাবে বলেছিল, 'পূর্ণ স্বাধীনতার ভিত্তিতে জাতীয় সরকার গঠনকে কংগ্রেসের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য হিসাবে ঘােষণা কর…
অনুসরণ করুন সোশ্যাল সাইটে