বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের মধ্যে সম্পর্ক : যে-কোনো বৃত্তের পরিধির এবং তার ব্যাসের দৈর্ঘ্যের অনুপাত একটি ধ্রুবক সংখ্যা, যাকে আমরা 𝝿 ( পাই ) হিসেবে চিহ্নিত করি।
বৃত্তকলা ও বৃত্তকলার কোণ (Sector and Angle of Sector) : কোনো একটি বৃত্তচাপ ও ওই চাপের দুই প্রান্তবিন্দুতে দুটি ব্যাসার্ধ দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে বৃত্তকলা বলে এবং ব্যাসার্ধদ্বয়ের মধ্যবর্তী কোণকে বৃত্তকলার কোণ বলে।
বৃত্তাংশ (Segment) : কোনো বৃত্তাকার ক্ষেত্রকে একটি জ্যা দ্বারা দুটি ভাগে ভাগ করলে প্রতিটি ভাগকে ওই বৃত্তের বৃত্তাংশ বলে। অর্থাৎ, কোনো বৃত্তের একটি জ্যা ও একটি চাপ দ্বারা গঠিত ক্ষেত্রকে বৃত্তাংশ বলে।
জ্যা (Chord) : বৃত্তের পরিধির উপর অবস্থিত যে-কোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে বৃত্তের জ্যা বলে। বৃত্তের বৃহত্তম জ্যাটি হল ওই বৃত্তের ব্যাস। ************************** অর্থাৎ বৃত্তের সব ব্যাসই জ্যা, কিন্তু সব জ্যা ব্যাস নয়।
বৃত্তের ব্যাস ও ব্যাসার্থের সম্পর্ক : বৃত্তের ব্যাসের দৈর্ঘ্য তার ব্যাসার্ধের দৈর্ঘ্যের দ্বিগুণ হয়। অর্থাৎ, ব্যাসার্ধের দৈর্ঘ্য ব্যাসের দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়।
বৃত্ত : বৃত্ত হল একটি বক্ররেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ এমন একটি সামতলিক চিত্র যেখানে ওই সীমাবদ্ধ চিত্রের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে ওই বক্ররেখায় অবস্থিত যে-কোনো বিন্দুর সরলরৈখিক দূরত্ব সমান। ওই নির্দিষ্ট বিন্দুটিকে …
পরিমিতির সূত্র , আয়তক্ষেত্র, সামান্তরিক, রম্বস, ত্রিভুজ এবং অন্যান্য সূত্র সমূহ অন্যান্য সূত্রসমূহ , পরিমিতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ শেয়ার করা হলো- আয়তক্ষেত্র, বর্গক্ষেত্র এবং সামন্তরিকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র - কিছু স…
পরিসীমা (Perimeter) : কোনো সামতলিক বদ্ধচিত্রের সীমানার যে-কোনো একটি বিন্দু থেকে শুরু করে একটি নির্দিষ্ট দিক বরাবর সীমানা ধরে ঘুরে আবার ওই বিন্দুতে ফিরে এলে যতটা দূরত্ব বা দৈর্ঘ্য অতিক্রম করতে হয়, তাকেই ওই সামতলিক চিত্রের পরিসীম…
চলক বা চলসংখ্যার প্রকারভেদ : চলক দুই প্রকার। (i) সন্তত বা অবিচ্ছিন্ন চলক (Continuous Variable) এবং (ii) অসন্তত বা বিচ্ছিন্ন চলক (Discontinuous Variable)।
অনুসরণ করুন সোশ্যাল সাইটে