Ad Code

জৈব অভিব্যক্তির স্বপক্ষে জীবাশ্মঘটিত প্রমাণগুলি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।




Advertisements

 জৈব অভিব্যক্তির স্বপক্ষে জীবাশ্মঘটিত প্রমাণগুলি সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর। 

■ জৈব অভিব্যক্তির স্বপক্ষে জীবাশ্মঘটিত প্রমাণ ভূগর্ভে সুদীর্ঘকালযাব সংরক্ষিত জীবদেহের সামগ্রিক বা আংশিক প্রস্তরীভূত অবস্থা বা ছাপকে জীবাশ্ম বলে। পৃথিবীর শিলাস্তর থেকে যে জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছে সেগুলির সাহায্যে প্রমাণিত হয়েছে যে ধারাবাহিক বিবর্তনের মাধ্যমে একপ্রকার জীব থেকে অন্য প্রকার জীবের উৎপত্তি ঘটেছে। এখানে জৈব অভিব্যক্তি স্বপক্ষে জীবাশ্মঘটিত কয়েকটি প্রমাণ উল্লেখ করা হল -

(i) অধুনালুপ্ত আর্কিওটেরিক্স নামক একপ্রকার জীবের জীবাশ্ম পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, এদের সরীসৃপের ন্যায় পা এবং দাঁত ছিল আবার পক্ষীর ন্যায় পালকবিশিষ্ট দুটি ডানা, পুচ্ছ এবং চঞ্চু ছিল। এর থেকে নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় যে, সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে পক্ষী জাতীয় প্রাণীর উদ্ভব হয়েছে।

(ii) আধুনিক ঘোড়া ইকুয়াস তার পূর্বপুরুষ ইওসিন যুগের ইওহিপ্পাস থেকে সৃষ্টি হয়েছে। ঘোড়ার বিবর্তন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা গেছে বিভিন্ন যুগের বিভিন্ন প্রকার জীবাশ্মের মাধ্যমে।

(iii) বিভিন্ন দশার জীবাশ্ম হতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, এপ্ থেকে মানুষের উৎপত্তি ঘটেছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাপ্ত অস্ট্রেলোপিথেকাস্ নামক জীবাশ্ম, মধ্য আফ্রিকায় প্রাপ্ত জিজ্যানথ্রোপাস্ এবং জাভা ও পিকিং-এ প্রাপ্ত হোমো ইরেকটাস্ নামক জীবাশ্ম দেখেই মানুষের বিবর্তনের সঠিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

Download Link of this Content
Advertisements
Best Search Engine Optimization
Advertisements

Post a Comment

0 Comments